কি কি কাজ করে টাকা উপার্জন করা যায়.. ক্লিক করুন

কি কি কাজ করে টাকা উপার্জন করা যায়…

ওয়েব সাইটের হোম পেজে যাত্যে http://mypapers.in/ এ ক্লিক করুন

5 Replies to “কি কি কাজ করে টাকা উপার্জন করা যায়.. ক্লিক করুন”

  1. ইউ টিউব এ আপনি কোন শিক্ষামূলক বা বিনোদন বা কোন কিছু ইন্টারেস্টিং ভিডিও আপলোড করে উপার্জন করতে পারেন। এটা নির্ভর করছে ভিডিও টির দর্শক এর সংখ্যা র ওপর। এক্ষেত্রে ইউটিউব এর কিছু শর্ত আছে সেগুলো দেখে নিতে হবে। কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে ভিডিও মোনিটাইজ করতে হবে টা কোন টিউটোরিয়াল ভিডিও দেখে করে নিতে হবে।

    ওয়েব সাইটের হোম পেজে যাত্যে এ ক্লিক করুন

  2. মোটর বাইক মেকানিক হয়ে নিজে দোকান করতে বা কোন বাইক সার্ভিস সপে এমপ্লয়ি হয়ে কাজ  কি শিখতে হবে, কিভাবে ও পুরুলিয়া তে কোথায় শেখা যাবে কেও বিস্তারিত ভাবে Reply করুন।

    ওয়েব সাইটের হোম পেজে যাত্যে এ ক্লিক করুন

    1. আপনি ইয়উ টিউব এ আপাতত বাইক সার্ভিসিং এর ভিডিও গুলি সার্চ করে দেখুন  ও কিছু কাজ শিখুন। বিভিন্ন বাইকের বিভিন্ন পার্টস নিয়ে বিশেষ ধারনা হয়ে গেলে সার্ভিস সেন্টার গুলিতে অ্যাপ্লাই করে দেখুন। আপনি নিজেও অল্প খরচেই সার্ভিসিং সপ খুলতে পারেন।  আপনার এই বাস্তব জ্ঞান আপনার প্রয়োজনে যে কোন সময় কাজে লাগতে পারে।

      ওয়েব সাইটের হোম পেজে যাত্যে এ ক্লিক করুন

  3. নিজের বা নিজের বাড়িতে যে সব কাজ নিজের দ্বারা সম্ভব তা নিজেকেই করা উচিৎ। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন সময় ও অর্থব্যয় দুইই সাশ্রয় হয় তেমন কাজও মনোমত ও ভাল হয়। তাই সময় থাকলে কাজ নিজেই করা উচিৎ । নিজেকে বিভিন্ন কাজে দক্ষ করতে পড়াশুনা করা উচিৎ। অনেক উন্নত দেস আছে যেখানে নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয় কারন সেখানে প্রতি ঘণ্টা হিসাবে বেতন দিতে হয় ও বেতনের টাকাও যথেষ্ট বেশি আমাদের দেসের তুলনায়।
    এছাড়া কতগুলি বিষয়ে সজাগ থাকলে আমরা ব্যয় সঙ্কোচ করতে পারি।
    নিজের ব্যয়সঙ্কোচ এর উপাই ও কাজগুলি যেমন ১) বাড়ির বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক্যাল কাজ নিজে করা ২) সেলুন না গিয়ে সেভিং করা ৩) সেলাই এর কাজ ৪) বারি-ঘর, পোশাক পরিষ্কার করা ৫) অযথা লাইট , টেলিভিশন, ফ্রিজ না চালানো ৬) বাইকের পরিবর্তে হেঁটে বা সাইকেল এ কাজ হোলে তাই করা উচিৎ ৭)…।

    ওয়েব সাইটের হোম পেজে যাত্যে এ ক্লিক করুন

  4. বাড়ির বাগানে বা ছাদের টবে বা নিজের জাইগায় সব্জি , ফুল ও ফলের  চাস করে অর্থ উপার্জন বা নিজের প্রয়োজন মেটানো যায়। পুরুলিয়া জেলার মাটি সাধারণত রুক্ষ বালি কাঁকর যুক্ত। কম সময়ে ও কম পরিচর্যায় যেসব সব্জি হয় সেগুলো দিয়ে প্রথমে চেষ্টা করা ভাল। তবে ভাল জাতের  ফলের গাছ  যেমন আম , পেয়ারা, কাঁঠাল, কলা, কুল, নিম, সজিনা, বেল ইত্যাদি লাগিয়ে রাখতে পারলে সময় একটু বেশি লাগতে পারে কিন্তু এর থেকে ফল, কাঠ, ছায়া, ভেসজ ওষুধ পেতে পারি। এইগুলি পুরুলিয়ার স্বাভাবিক উদ্ভিদ তাই খুব একটা পরিচর্যার দরকার হয় না। গরমকালে পর্যাপ্ত জল দেওয়া ও গাছগুলি বড় না হওয়া পর্যন্ত গবাদি পশু থেকে রক্ষা করলেই যথেষ্ট।

    ওয়েব সাইটের হোম পেজে যাত্যে এ ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.